এটি কেবল সংক্ষিপ্ত জীবনীগ্রন্থই নয়; বরং স্বাধীনতা-উত্তরকালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে সহিংস ঘটনার সাক্ষ্যও বটে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যে সাংবাদিকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তাঁদের স্মৃতি ধরে রাখা আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের জন্যও জরুরি। ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র নাগরিকদের জীবনে কী পরিণতি ঘটাতে পারে, সাংবাদিকদের প্রাণহানি আমাদের তা মনে করিয়ে দেয়। যে কোনো ধরনের স্বৈরতন্ত্র, ফ্যাসিবাদী প্রবণতা এবং কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো সাংবাদিকদের স্মৃতি আরো বহুকাল আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য স্মরণ করিয়ে দেবে।
ইয়াসির আরাফাত : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতক এবং মাদ্রাসা থেকে আলিম ও দাখিল পাশ করেছেন। সরাসরি রিপোর্টিং ও ডেস্ক-দুই ধারায় কাজ করার সুবাদে বাংলাদেশের মিডিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সঙ্গে রয়েছে তাঁর গভীর পরিচয়। বর্তমানে সমকালে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত। ‘বাংলাদেশ ফ্রি প্রেস ইনিশিয়েটিভ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাজ করছেন দেশের সংবাদমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের নিয়ে। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান : যে সাংবাদিকদের হাারিয়েছি’ বইটি প্রকাশ করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ-পিআইবি।
সিলমী সাদিয়া : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শেষে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালে ইলেকটোরাল প্রোগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-তে গবেষণা বিভাগের অধীনে ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত। ছাত্রজীবন থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গবেষণামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। গণমাধ্যম সম্পর্কিত গবেষণার প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ ফ্রি প্রেস ইনিশিয়েটিভ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত খুলনাভিত্তিক সামাজিক সংগঠন ‘ইয়ুখ ফোরস’ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
লেখকদ্বয় জুলাই গ্রাফিতিডটকম ও জুলাইমেমোরিজডটকম নামের দুটো আর্কাইভাল ওয়েবসাইট গড়ে তুলেছেন।