‘এই মেঘ, এই রোদ্দুর’ উপন্যাসটি এই সময়ের গল্প। ঝরঝরে বর্ণনায় বর্তমানের এই নাগরিক জীবন বাস্তবতায় এক নারীর আশা-নিরাশা আর সংগ্রামের গল্প ‘এই মেঘ এই রোদ্দুর।’
বিয়ের একমাস পর স্বামী বিদেশ যায় রানুর। কিছুদিন পর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। তারপর জীবনের একমাত্র ছায়া অসুস্থ মাকে নিয়ে অনিশ্চিত এক জীবন অতিবাহিত করে রানু। স্বামী রাশেদ ফিরবে, কি ফিরবে না এই দোলাচলের ভেতরেই রানুর জীবনে হৃদয়ের আগমন। বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়ার এই অসম প্রেমের শেষ পরিণতি কি? রাশেদ কি শেষ পর্যন্ত ফিরে আসে? এইসব জীবন ঘনিষ্ট জটিলতার ভেতর দিয়েই এগিয়ে যায় গল্প। আর দশটা মানুষের মতো যে জীবনে প্রেম আছে, হারানোর ভয় আছে, আছে যাপিত জীবনের টানাপোড়েন।
এটি নীলা কবীরের প্রথম উপন্যাস। প্রথম উপন্যাস হিসেবে যথেষ্ট যত্নবানই বলা যায় লেখককে। তবে পাঠকের কাছে এটির গ্রহণযোগ্যতা হবে ঔপন্যাসিকের সফলতার সর্বোচ্চ মাপকাঠি। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন আল নোমান। প্রকাশক বাংলানামা।
নীলা কবীর : নীলা কবীরের জন্ম মুন্সীগঞ্জের সরদারপাড়া গ্রামে। লেখাপড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড।
গবেষক ও সাহিত্যিক কবীর আলমগীরের সঙ্গে সংসারযাপন নীলা কবীরের। থাকেন মোহাম্মদপুরে ভাড়া বাসায়।
গৃহিণী জীবনে নীলা কবীর এক সন্তানের জননী। ‘এই মেঘ, এই রোদ্দুর’ নীলা কবীরের প্রথম উপন্যাস।