দ্বিতীয় নয়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধেরও বেশ কয়েক বছর আগে ক্ষুদিরামের জন্ম এবং ঐতিহাসিক আত্মোৎসর্গ। দেশকে, দেশের মানুষকে কিভাবে ভালবাসতে হয়, কাকে বলে দেশপ্রেম তার অনুপম এক দৃষ্টান্ত ক্ষুদিরাম। শুধু ব্রিটিশ উপনিবেশে নয়, পৃথিবীর যে কোনো উপনিবেশ ও ইতিহাসে এরকম চরিত্র সম্ভবত দ্বিতীয়রহিত। ইতিহাসের সেই নায়ক, এসময় আদৌ কি জারি আছেন আমাদের চেতনায়, চিন্তায় ও চর্চায়? তাঁর আত্মোৎসর্গের শতবর্ষে লেখক-গবেষক ড. কাজল রশীদ শাহীন জাতির সম্মিলিত দায় মেটানোর লক্ষ্যে ক্ষুদিরামকে খুঁজে ফিরেছেন ‘একবার বিদায় দে মা’ চিত্রনাট্যে, পরিচালক নূরুল আলম মিল্কীর প্রযত্নে।
২০১৯ সালে প্রকাশিত একবার বিদায় দে মা’র পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬০, মুদ্রিত মূল্য ২০০ টাকা। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বাংলানামার দেড় শতাধিক বইয়ের মধ্যে এটি একটি অনন্য সংযোজন ও একমাত্র চিত্রনাট্য।
লেখক সম্পর্কে এক ছত্র
ড. কাজল রশীদ শাহীন লেখক-গবেষক। সাবেক সম্পাদক দৈনিক খোলা কাগজ। তার জন্ম ৬ এপ্রিল ১৯৭৬ সালে। ঠিকানা মাতৃমম, ফিলিপনগর, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। বাবা সরকার উম্মত আলী ও মা খোদেজা খানম। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি.। নেশা ও পেশা লেখালেখি। বসবাস করেন ঢাকায়।
দৈনিক রূপালী, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশসহ একাধিক জাতীয় দৈনিকের কর্মজীবন তার। লেখালেখি পারিবারিক আবহ থেকে। বাবা অনিয়মিতভাবে লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। ড. কাজল রশীদ শাহীন জাতীয় অঙ্গনে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান তৈরির স্বপ্ন দেখেন প্রবলভাবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় সংস্কৃতি চর্চায় নিবিষ্ট হন। নাটক-চলচ্চিত্রের প্রতি অপার দুর্বলতা সেই সময় থেকে।

