02:36 PM, 22 Jun 2019
মোহ

খন্দকার এনামুল হক

অমিত চক্রবর্তী। কোকড়ানো এক ঝাঁক এলোমেলো চুল। অদ্ভুত চাহনি। লাল টকটকে চোখ। কালচে পুরু ঠোট। একটি অ্যাডফার্মে চিফ ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন।

অমিতের জুনিয়র অফিসার স্নিগ্ধা আফরোজ। দারুণ সুন্দরী।

নিজ ডেস্কে বসে, একটা নতুন বইয়ের প্রচ্ছদ করার চেষ্টা করছে, হঠাৎ স্নিগ্ধার প্রবেশ। 
-ভাইয়া আসতে পারি?
-হুম পারেন। 
স্নিগ্ধার দিকে দৃষ্টি না দিয়েই, কথা বলে যাচ্ছে অমিত। স্নিগ্ধার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কারণ আজ সে নীল রঙের একটি শাড়ি পরেছে, সেজেছে মনের মতো করে। কিন্তু কিছুতেই অমিতের দৃষ্টি তার পানে আনা যাচ্ছে না। 
: কি কিছু বলবেন আপনি?
- ভাইয়া আমি এই লাইনে নতুন। ভালোমতো গ্রাফিক্সটা শিখতে পারিনি। শখের বসে শিখেছিলাম। কিন্তু এখন প্রফেশন হিসেবে বেছে নেয়ার পর দেখছি অনেক কিছু শেখার বাকি আছে। কাজ করতে যেয়ে আটকে যাই।
: তো?
- আপনি যদি সপ্তাহে আমাকে একদিন সময় দিতেন, যেদিন আপনার ডে অফ থাকে। তাহলে, আমি গ্রাফিক্সটা ভালোভাবে শিখতে পারতাম।
অমিত কিছুক্ষণ চুপ থেকে, কম্পিউটারের দিকে তাকিয়েই হাত বাড়িয়ে, একটি কার্ড স্নিগ্ধাকে দিয়ে বললো, এখানে বাসার ঠিকানা লেখা আছে। 

শুক্রবার। হঠাৎ দরজায় কলিংবেলের শব্দ। অমিত দরজা খুলতেই সবুজ একটি টিশার্ট আর নিল জিন্স পরা স্নিগ্ধা দাঁড়িয়ে। ভালো করে না তাকিয়েই সে বলে, ‘‘ও আসো ভিতরে আসো।’
স্নিগ্ধা বেশ বিড়ম্বনায় পড়ে গেলো। অমিতের পোষাক দেখে। তার গায়ে কোনো গেঞ্জি নেই, আন্ডারওয়্যার টাইপের ছোট্ট একটা হাফপ্যান্ট পরা। ঘর তো নয়, যেন রাস্তার পাশে ময়লার ডাস্টবিন। রান্নাঘরে সবজি পঁচে গন্ধ আসছে। চায়ের কাপের ভেতর সিগারেটর গোড়া ফেলতে ফেলতে তা পঁচে বিরক্তকর একটা গন্ধ তৈরি হয়েছে। 
স্নিগ্ধা এক কোনায় চুপচাপ বসে আছে। তার ধারণা অমিত ভেতরে গিয়ে হয়তো একটা গেঞ্জি আর ফুলপ্যান্ট পরে আসবে। কিন্তু ধারণা ভুল প্রমাণিত হল। সে কি পোষাক পরে আছে, তা হয়তোবা তার নিজেরও খেয়াল নেই। সম্পূর্ণ খালি গায়ে, একটা সিগারেট আঙুলের ফাঁকে পুড়ছে, স্নিগ্ধাকে গ্রাফিক্স এর কিছু বিষয় বুঝানো শুরু করলো। 
স্নিগ্ধা মুগ্ধ হয়ে তার কাজের স্টাইল দেখল। খুব ভালো লাগলো তার। ভালোলাগার মতো চেহারা কিংবা স্মার্টনেস না থাকলেও স্নিগ্ধার খুব ভালো লেগে যায় অমিতকে। 
সে রাতে বাসায় ফিরে, বারবার অমিতের কথা মনে পড়তে থাকে। অনেকবার চেষ্টা করে, ব্যর্থ হয়ে, অতঃপর অমিতকে ফোন দেয়। ১২ বার ফোন দেয়ার পরও অমিত ফোন রিসিভ করে না। স্নিগ্ধা মনে মনে ভাবতে থাকে, হয়তো চায়ের কাপে সিগারেটের বদলে, মোবাইলটাই ফেলে দিয়েছে। কারণ সে যে বড্ড বেখয়ালি।
গ্রাফিক্সের দ্বিতীয় ক্লাস। স্নিগ্ধা কম্পিউটার টেবিলে বসে। অমিত খুব কাছাকাছি। অমিতের শরীরে অদ্ভুত এক মাদকতার ঘ্রাণ, যা স্নিগ্ধাকে কেমন যেন একটা মোহে জড়িয়ে ফেলে, না কোনো পারফিউমের গন্ধ নয়। তারপরও কেমন যেন এক অচেনা, মুগ্ধকর ঘ্রাণ। স্নিগ্ধার গা শিউরে উঠে। অমিত নিচু হয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে কথা বলছে। তার গরম নিঃশ্বাস ছুঁয়ে যায় স্নিগ্ধার ঘাড়। স্নিগ্ধার শরীর কাঁপতে শুরু করে। সে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে অমিতকে জড়িয়ে ধরে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে তুলে। অমিত নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকে। নেই কোনো বাধা দু’জনের মাঝে। এলোমেলো বিছানাজুড়ে, দুটি ক্ষুধার্ত দেহের ক্ষুধা মেটানোর ক্রীড়া চলতে থাকে। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নেমে আসে কংক্রিটের শহরে।  
: আজ আসি।
অমিত মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক উত্তর দিয়ে কম্পিউটারে বসে। স্নিগ্ধা অবাক হয়ে যায়, সেকি মানুষ নাকি অন্যকিছু। এতরাতে একটি মেয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছে, তাকে একটু এগিয়ে দিয়ে আসার কথা বলা তো দূরের কথা, দরজাটা পর্যন্ত খুলতে এলো না। 
পরের দিন অফিসে ঢুকে স্নিগ্ধা অমিতের ডেস্কের সামনে যেয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। স্নিগ্ধা বলে উঠে? 
- কি ব্যাপার বলেনতো? আপনার সমস্যা কি? 
: কেন কি হয়েছে বলো তো? 
- না আপনি এত উদাসীন কেন? আপনার ভেতর কি মায়া নেই?
: মায়া আবার কি জিনিস? মায়া তো দেহের কোনো অংশ না। আসলে, আমি ঠিক জানি না, মায়াটা কোথায় থাকে। হেসে উঠে অমিত। স্নিগ্ধা রেগে চলে যায়। 

সেদিন গ্রাফিক্স ক্লাস শেষে অমিতের বাসা থেকে বের হবার পর কোনো রিকশা পাওয়া যাচ্ছিল না। বাধ্য হয়ে øিগ্ধা উঠে বাসে। পাশের সিটটা খালি ছিলো, বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে তখনও। নানা ভাবনা ভর করে। অমিত আর তার ছোট একটি সংসার হবে। অমিতকে সে আবেগ-ভালোবাসা দিয়ে তার ভেতরের আবেগগুলোকে জাগিয়ে তুলবে। হঠাৎ পাশে এসে মাঝবয়সী এক ভদ্রলোক বসে পড়েন। লোকটি প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কি করেন? অফিসের সুযোগ সুবিধা কেমন? ভালো চাকরি খুঁজছেন কিনা?’ নানা প্রশ্ন। গন্তব্যে এসে স্নিগ্ধা নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভদ্রলোকটি একটি ভিজিটিং কার্ড বের করে তার হাতে দেয় বলেন ‘যেকোনো সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন হলে আমাকে আপন ভেবে জানাতে পারেন।’ ভদ্রলোকের চোখের চাহনিটা বেশ অস্বস্তিকর, অসভ্য টাইপের। ভদ্রতার খাতিরে সে কার্ডটি নিয়ে ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখে।

প্রতিদিনের মতো অফিসে ঢুকেই নিজের ডেস্কে বসার আগে, একবার অমিতের সাথে সাক্ষাৎ করে আসে। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না। কিন্তু অমিত সিটে নেই। পিওনের কাছে জিজ্ঞেস করতেই জানা গেলো- বসের সাথে অমিতের অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছে, অমিত সাহেব রাগ করে বেরিয়ে গেছেন। 
অমিতের নম্বর বন্ধ। অফিস থেকে বের হয়ে সোজা চলে আসে অমিতের ফ্ল্যাটে। সেকি দরজায় তালা। কিছুই বুঝতে পারে না। ফোনও বন্ধ। তাহলে অমিত কোথায় গিয়েছে? নিজের উপর রাগ হয় স্নিগ্ধার, কারণ অমিত সম্পর্কে কিছুই জানে না, কোথায় তার দেশের বাড়ি, তার মন খারাপ হলে কোথায় যেয়ে বসে থাকে? কিছুই জানে না সে।
গভীর এক ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে স্নিগ্ধার হৃদয়ে। প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে তার। কিন্তু অমিতকেও তো তার মনের কথা বলা হয়নি? অমিত কি করে বুঝবে?
অমিতের সাথে স্মৃতিমাখা মুহূর্তগুলো নিয়ে ভাবতে ভাবতে কেটে যায় ছয় মাস।
সাতদিন যাবৎ স্নিগ্ধার প্রচণ্ড জ্বর। দুপুরে শুধুমাত্র আলুভর্তা আর ডাল রান্না করা হয়েছে, ছোট ভাই খাবার মেনু দেখে, রাগ করে টেবিল থেকে উঠে গেছে। মা কিছুই জানায়নি, ঘরে যে বাজার নেই। স্নিগ্ধার হাতে পাঁচ হাজার টাকা জমানো আছে, যা ছোট ভাইয়ের টিউশিন ফি। আগামীকাল জমা দিতে হবে। পরশু তার পরীক্ষা। কাল টিউশন ফি জমা না দিলে, পরশু পরীক্ষা দিতে পারবে না, এমন নোটিশও দেয়া হয়েছে স্কুল থেকে। 
মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে স্নিগ্ধা। অমিতকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে। অমিতের হাতদুটো ছুঁতে ইচ্ছে করছে। চোখ বন্ধ করলেই অমিতের চেহারা ভেসে আসে। স্নিগ্ধার বিশ্বাস ছিলো, অমিত একদিন ফিরে আসবেই। 
বিছানায় শুয়ে, জানালা দিয়ে দূরের আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে স্নিগ্ধা। এলোমেলো ভাবনাগুলো বিষন্নতায় ভরে উঠে। হঠাৎ মোবাইলে রিং বেজে উঠে। অচেনা নম্বর। ফোন রিসিভ করতেই বাকহীন হয়ে পড়ে স্নিগ্ধা
-হ্যালো স্নিগ্ধা, আমি অমিত।
স্নিগ্ধা অনেক চেষ্টা করেও কথা বলতে পারে না। কে যেন তার বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। কোনো কথা না বলে হাউমাউ করে কেঁদে উঠে।
-আপনি কোথায় ছিলেন এতদিন? কেন কোনো ফোন দেননি? কি দোষ ছিলো আমার? আমি কি মানুষ না? আমার কি মন নেই? কেন? কেন? এমন করেছেন আপনি?
: আচ্ছা আচ্ছা এত প্রশ্নের উত্তর দিতে তো সময় লাগবে। শোন আমি বেশি ভালো নেই। অনেক কথা আছে। পরে তোমাকে সব বলবো। আপাতত আমার একটা উপকার করো তো?
- বলেন, আপনার কি হয়েছে? আপনি কি অসুস্থ
: আরে না। সব ঠিক আছে। সমস্যা অন্যদিকে।
- আমার পাঁচ হাজার টাকা খুব দরকার। তুমি কি আমাকে পাঁচটি হাজার টাকা বিকাশ করতে পারবে আমার নম্বরে। 
: হ্যা দিচ্ছি। আমার তো জ্বর। আমার ছোটভাইকে দিয়ে, বাইরের দোকান থেকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
- শোন আমি টাকাটা সামনের মাসে তোমাকে ফেরত দিয়ে দেবো।
: আরে কি বলেন এসব? আপনার নম্বর এটা খোলা থাকবে তো?
- শোন এখন কোনো কথা বলতে পারবো না। আমি রাতে তোমাকে সব  বিস্তারিত বলছি। রাখি বলেই ফোনটা কেটে দিলো। 
কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়ে স্নিগ্ধা। যে পাঁচ হাজার টাকা আছে, সেটা তো ছোট ভাইয়ের স্কুলের টিউশন ফি। এতকিছু না ভেবে স্নিগ্ধা ছোট ভাইকে অমিতের নম্বরে পাঁচ হাজার টাকা বিকাশ করে আসতে বলে। 

পরের দিন শুভ্র স্কুলে যাওয়ার সময় বোনের কাছে আসে। স্নিগ্ধা ইতস্ত হয়ে বলে, তুমি স্কুলে যাও, আমি দেখছি। দিন গড়িয়ে যায়, কোনোভাবেই কারো কাছে টাকা ধার পায় না। শুভ্রর ফাইনাল পরীক্ষা দেয়া হয় না। সকাল থেকেই অঝোর ধারায় কান্না করছে স্নিগ্ধা। দরজা বন্ধ করে। অমিতের সে রাতে ফোন দেয়ার কথা থাকলেও ফোন দেয়নি। পরে স্নিগ্ধা কল করলে মোবাইল বন্ধ পায়। 
অন্যদিকে স্নিগ্ধার মাও খুব অসুস্থ। দু’দিন যাবৎ প্রেশার প্রচণ্ড বেড়েছে। কারণ আজ ১৫ দিন হলো, প্রেশারের ওষুধ নেই। মেয়ের অসুস্থতার জন্য বলতে পারেনি। 
ব্যাগ থেকে ফোনবুকটা বের করতে যেয়ে হঠাৎ চোখ যায়, ব্যাগের এক কোনায় পড়ে থাকা হায়দার চৌধুরীর একটি ভিজিটিং কার্ড। হ্যাঁ মনে পড়েছে, বাসের সেই অসভ্য ভদ্রলোকটির কার্ড। কোন কিছু না ভেবে স্নিগ্ধা ফোন করে-
: স্যার আমি স্নিগ্ধা আফরোজ। আপনার সাথে বাসে পরিচয় হয়েছিলো।
- ও হ্যাঁ হ্যাঁ মনে পড়েছে। হাউ আর ইউ ডিয়ার?
: স্যার আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাচ্ছিলাম। 
-ওকে ডিয়ার, তুমি আজ সন্ধ্যায় চলে আসো, আমার অফিসে। 
স্নিগ্ধা মনে মনে ভাবে আহা কত ভালো মানুষ। আমি শুধু শুধু তাকে ভুল বুঝেছি। বাবার মতো বয়সের একটি লোক।
 
অনেক বড় অফিস। সাজানো গোছানো। রিসিপশনে অপরূপ সুন্দরী এক তরুণী বসা। যেন একটি পুতুল সাজিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে। 
রিসিপশনিস্ট তাকে স্যারের রুমের দরজা দেখিয়ে দেয়। স্যার আসবো বলে ভেতরে ঢুকে øিগ্ধা। ঢুকেই অবাক হয়ে যায়, ভেতরটা অফিস অফিস মনে হচ্ছে না। ব্লু কালারের লাইটিং, বিশাল একটা বেড, চকচকে সাদা চাঁদর বিছানো। বিছানার পাশে ছোট টেবিলে কিছু মদের বোতল।
হায়দার সাহেব ‘আসো আসো ডিয়ার’ বলেই চেয়ার থেকে উঠে আসে স্নিগ্ধার একদম কাছে। স্নিগ্ধার অস্বস্তি লাগে। পিছু ফিরতে চায়, কিন্তু উপায় নেই,  পেছনে সোফা সাজানো, পিছু ফিরতে হলে সোফার সাথে ধাক্কা খাবে। ভদ্রলোক আরো এগিয়ে আসে। স্নিগ্ধার খুব ভয় কাজ করে। 
-ও ডিয়ার ইউ লুকিং সো গর্জিয়াস, এন্ড সেক্সি অলসো। 
এমন কথা ভদ্রলোকের কাছে আশা করেনি øিগ্ধা। তারপরও একফালি হাসি দিয়ে প্রশংসাটা গ্রহণ করে। 
: ডিয়ার তোমার যখন যত টাকা লাগবে, শুধু আমাকে বলবে, নো প্রবলেম। আইএম ইউয়র ফ্রেন্ড। 
হায়দার সাহেব স্নিগ্ধাকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় নিয়ে যায়। স্নিগ্ধার গলা শুকিয়ে আসে। সে কিছু বলতে পারে না। জ্বরের ঘোরেও চোখ বুঝে আসে। 
হঠাৎ একটা মোহে হারিয়ে যায়। মনে হয়, এ যেন অমিতের হাতের স্পর্শ, অমিতের ঠোঁটের উষ্ণতা। স্নিগ্ধা মনে মনে বলতে থাকে, ‘অমিত তুমি এতদিন কোথায় ছিলে।’ হায়দার সাহেবকে জড়িয়ে ধরে। মনে মনে বলে, ‘নাও অমিত আমাকে মেলে দিলাম তোমার কাছে আমাকে যেভাবে ইচ্ছে মনের মতো করে গ্রহণ করো।’

বই প্রকাশনায় সম্পাদকশ্রেণির ভূমিকা
ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা টুকিটাকি ৩
বই প্রকাশনায় সম্পাদকশ্রেণির ভূমিকা
খন্দকার সোহেল আমরা বই মানেই লেখক বুঝি। তার বাইরে প্রকাশক বুঝি। ....
লেখক প্রকাশক পাঠকের মেলা
ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা টুকিটাকি-২
লেখক প্রকাশক পাঠকের মেলা
খন্দকার সোহেল
বইমেলার আইডি কার্ডে বিনা ভাড়ায় ট্রান্সপোর্ট
ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা টুকিটাকি ১
বইমেলার আইডি কার্ডে বিনা ভাড়ায় ট্রান্সপোর্ট
খন্দকার সোহেল আমার ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার আইডি কার্ড৷ নিছক একটি ছাপা কাগজ ....
 আমার দাদা রুদ্র
ভাইয়ের চোখে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
আমার দাদা রুদ্র
হিমেল বরকত কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১)। আমাদের দশ ....
সেবা প্রকাশনীর স্বরূপ
সেবা প্রকাশনীর স্বরূপ
শেখ আবদুল হাকিম সেবা প্রকাশনী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শুক্রবার শেখ আবদুল ....
মাটির মমতায়
বড় গল্প
মাটির মমতায়
মো. আকরাম হোসেন সূর্যটা আজ অস্ত যাবে- দীর্ঘ ....